দুর্নীতির সংবাদ করতে গিয়ে বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার মহিলা সাংবাদিক

International News

নিউজ ফ্রন্টলাইনার ওয়েব ডেস্ক,ঢাকা,১৮ ই মে:বাংলাদেশে এবার সাংবাদিকের উপর সরকারের অত্যাচারের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য।দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদপত্র প্রথম আলোর সিনিয়র সংবাদদাতা রোজিনা ইসলামকে ঢাকা সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় আটক রাখার পর শবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তিনি সংবাদ সংগ্রহে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান।দেশে কোভিড মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়ে সংবাদ করতে গিয়েছিলেন।

সাংবাদিক রোজিনাকে সেখানে একটি ঘরে আটক রাখা হয়েছিল এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। একপর্যায়ে তিনি সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন।রোজিনার বন্দি হওয়ার সংবাদ পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ভবনে যান। তারা দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছিল এবং তার কারাবাসের কারণ জানতে চেয়েছিল। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা কিছুই বলেননি।

পরে সাংবাদিকরা সচিবালয়ের বাইরে জড়ো হয়ে তার গ্রেফতারারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন।জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন, সচিবালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে কিছু আধিকারিক রোজিনা ইসলামকে মানসিক ও দৈহিক হয়রানি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছিলেন রোজিনা ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় ।

রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পুলিশ রোজিনা ইসলামকে সচিবালয় থেকে শাবাগ থানায় নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা বলেছিলেন যে সে সময় তিনি খুব অসুস্থ বলে মনে হয়েছিল।রোজিনা ইসলামের কারাবন্দি ও হয়রানির বিষয়ে সচিবালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকরা স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের কাছ থেকে মতামত নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রোধান বলেন, রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু রেকর্ডের ছবি তোলার বিষয়ে থানায় অভিযোগ আনা হয়েছে।এই ঘটনায় গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রতিক্রিয়া সংবাদ মাধ্যমের উপর এই আক্রমণ করে কি সরকার কি কিছু দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে চাইছে উঠছে প্রশ্ন। বাংলাদেশের বামপন্থী দল গুলির পক্ষ থেকে সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলা হয়েছে কোভিড প্রতিরোধ করতে গিয়ে সরকারের প্রতিনিধিরা দুর্নীতিটে জড়িয়ে পড়ছে সেই দুর্নীতি প্রকাশ্যে আশা আটকাতে কি রোজিনার উপর অত্যাচার? অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে সোচ্চার তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *