পাঞ্জাবের সন্ত্রাসীদের আতঙ্ক কমিউনিস্ট নেতা বলবিন্দর সিং সন্ধুর হত্যা

India News Political

নিউজ ফ্রন্টলাইনার ওয়েব ডেস্ক,পাঞ্জাব,১৭ ই অক্টোবর:দেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের শতবর্ষ চলছে ,দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে দেশ রক্ষার স্বার্থে আত্ম ত্যাগের ইতিহাস নিয়ে কমিউনিস্ট দের নিয়ে আলোচনা চলছে।দেশের পাঞ্জাব রাজ্যে এমন এক নাম উঠে এলো যিনি দেশের ঐক্য রক্ষার স্বার্থে তার আত্ম বলিদানের ইতিহাস অনেকেই জানি না। বলবিন্দর সিংহ সন্ধু, যিনি খালিস্তানী সন্ত্রাসীদের কাছে ছিলেন আতঙ্ক।

সন্ত্রাসবাদীরা তার উপর ৪২ বার হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল, গতকাল পাঞ্জাবের তারন তরণ জেলার ভিক্ষিভিন্ড গ্রামে দু’জন হামলাকারী গুলি করে হত্যা করে। ১৯৮০ এর দশকে ডিওয়াইএফআই নেতা হিসাবে এমন সময় উঠে আসেন যখন পাঞ্জাব সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের শিকার গোটা রাজ্য তখন সন্ত্রাসের কবলে। বলভিন্দর সিং খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তিনি এবং তার পরিবার খালিস্তানি বাহিনীর অসংখ্য আক্রমণের বিরুদ্ধে তার লড়াই দেশের বির সন্তান হিসেবে উঠে এসেছিলেন।সর্বশেষতম মারাত্মক আক্রমণটি ঘটেছিল ১৯৯০ সালের ৩০ শে সেপ্টেম্বর, যখন প্রায় ২০০ সন্ত্রাসী চারদিকে সন্ধুর বাড়ি ঘেরাও করে এবং রকেট লঞ্চার সহ মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসীদের তান্ডব চলে। আক্রমণটি সুপরিকল্পিত ছিল এবং বাড়ির রাস্তাটি ভূগর্ভস্থ মাইন ছড়িয়ে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল, যাতে পুলিশ বাহিনীর কোনও সহায়তা তাদের কাছে না পৌঁছায়।

অবরুদ্ধ, সন্ধু তার ভাই এবং তাদের স্ত্রীরা সরকারের দেওয়া পিস্তল এবং স্টেন-বন্দুক দিয়ে সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। সন্ধু ভাই এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা যে প্রতিরোধ দেখিয়েছিল তা সন্ত্রাসীদের পশ্চাদপসরণ করতে বাধ্য করেছিল।

তিনি সম্ভবত সেনাবাহিনীর বাইরে একমাত্র ব্যক্তি যিনি রাষ্ট্রপতির শৌর্য চক্র পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।এলাকায় কমরেড বলভিন্দর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যখন কমিউনিস্ট দের শুনতে দেশদ্রোহির তকমা তখন ইতিহাস সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশ করেছে কিভাবে কমিউনিস্ট রা আত্মত্যাগ করেছে দেশের অখণ্ডতা ও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য নিজেদের প্রাণ পর্যন্ত উৎসর্গ করেছেন।কমিউনিস্ট আন্দোলনের শতবর্ষে এরকম বহু নাম যা দেশের কমুনিস্ট আন্দোলনকে গৌরবজ্জ্বল করে তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *