জার্মানি কমিউনিস্ট পার্টিকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ নির্বাচন কমিশনের প্রতিবাদ দেশ জুড়ে

International News

নিউজ ফ্রন্টলাইনার ওয়েব ডেস্ক,বার্লিন,১০ ই জুলাই:সেপ্টেম্বরের নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য জার্মান সংসদের একটি কমিটি বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির (ডিকেপি) পদে প্রার্থী না করার অনুমতি তারা দেবে না। জার্মান বুন্ডেস্টেগের ফেডারাল ইলেকশন কমিটি যার মধ্যে চূড়ান্ত ডানপন্থী “জার্মানির বিকল্পের প্রতিনিধি” উপস্থিত রয়েছে, রায় দিয়েছে যে ডেকেপির প্রার্থীরা দেশের কোথাও ব্যালটে উপস্থিত হবে না। কমিটি কমিউনিস্টদের উপর নিষেধাজ্ঞার অজুহাত হিসাবে দেরি করে অ্যাকাউন্ট এর জমা দেওয়ার হিসেব দিতে দেরি করেছিল।

নির্বাচন কর্মকর্তারা জার্মান কম্যুনিস্ট পার্টিকে প্রার্থী চালানো থেকে নিষিদ্ধ করেছেন

বার্লিনের বুন্ডস্টেগ ভবনের সামনে জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির লাল পতাকা উড়েছে।

ডিকেপি সংবাদ মাধ্যম কে জানায় নেতৃত্ব কেবল সংবাদ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে পেরেছে।তারা অভিযোগ করে বলে ফেডারাল নির্বাচন কমিশনার স্পষ্টতই দলটিকে অবহিত করা জরুরি বলেও মনে করেনি, যেটি বেশ কয়েকটি শহর ও শহরে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছে।জার্মান বেশ কয়েকটি শহরের পৌরসভা এবং বিধানসভায় তাদের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধি রয়েছে তাদের।কেবলমাত্র দলের হিসাবরক্ষণের প্রতিবেদন বিলম্বিত করার কারণে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হতে পারে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

ফেডারাল ইলেকশন কমিটির পদক্ষেপগুলি স্বৈরাচারী দৃষ্টিভঙ্গির সাথে তুলনা করেছে কমিউনিস্ট পার্টি।দেশের অভ্যন্তরে কোরোনা এবং তার জেরে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে গনতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা সেটা আটকাতে এই পদক্ষেপ। নিষেধাজ্ঞার সাথে সাথে ডিকেপিকে হুমকি দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলকে বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।

১৯৩৩ সালের জানুয়ারী মাসে একই রকম ফতোয়ার মুখে পড়েছিল কমিউনিস্ট পার্টি সে সময় ছিল অ্যাডল্ফ হিটলারের সরকার, শিল্প ও ব্যাংকারদের সহযোগিতায় কেপিডিকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিল। নাৎসিদের হাতে প্রথম গ্রেপ্তার হওয়া এবং কারাগারে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়েছিল কেপিডি চেয়ারম্যান আর্নস্ট থ্যালম্যানকে অন্যান্য জার্মান কমিউনিস্ট নেতৃত্বের সাথে।

১৯৪৮ সালে আবার পার্টি পুনর্গঠন হয় পূর্ব জার্মানি সাফল্যের সাথে তারা পরিচালনা করে পরবর্তীকালে সোভিয়েত পতনের পরে আবার জামান কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ হয় চলে প্রায় ৫ বছর।বর্তমানে পার্টির সদস্য ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন নির্বাচনে প্রতিনিধি নির্বাচিত শাসক দলকে বিপদে ফেলছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন ক্রমবর্ধমান কমিউনিস্টদের জনপ্রিয়তা রুখতে কি এই ব্যবস্থা নিলো শাসক দল।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিল তারা দেশ জুড়ে আন্দোলন সংগঠিত হচ্ছে।বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের সামনেও বিক্ষোভ বিভিন্ন দেশের বাম দলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *