ডি ওয়াই এফ আই লালগোলার সমাবেশে জন প্লাবন

District News Murshidabad

নিউজ ফ্রন্টলাইনার ওয়েব ডেস্ক,লালগোলা,৫ ই ফেব্রুয়ারি:ডিওয়াইএফআই এর উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের লালগোলায় নাগরিকপঞ্জি আইনের বিরুদ্ধে এক বিশাল জনসমাবেশ সংগঠিত হলো। সভায় বক্তব্য রাখলেন বাম যুব সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব বক্তব্য রাখেন যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি, দেশজুড়ে সিএ এবং এনআরসি এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে উঠছে যুব সংগঠনের নেতৃত্বে রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আন্দোলনের তীব্রতা পাচ্ছে।

সমাবেশে মিনাক্ষি মুখার্জি হিন্দি এবং বাংলায় ভাষায় বক্তব্য রাখলেন, বক্তব্যে উঠে এলো বিজেপি এর বিভাজনের রাজনীতি ।তিনি অভিযোগ করেন প্রতিটি নির্বাচনের আগে বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি করে থাকে, তার অঙ্গ হিসেবে দেশে সিএ আইন লাগু। যা দেশের বেশির ভাগ মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে এমন অবস্থায় ডিওয়াইএফআইয়ের উদ্যোগে আজকের এই সমাবেশ ঐতিহাসিক সমাবেশে পরিণত হয়ে উঠলো। গোটা এলাকা অবরুদ্ধ হয়ে যায় লাল ঝাণ্ডার সৈনিকদের হাতে । মীনাক্ষী মুখার্জি বলেন শুধুমাত্র ধর্ম বিভাজনের রাজনীতি নয় এদেশের সরকার নিজেকে দেশ প্রেমিক মনে করে দেশের সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে চাইছে , নবতম সংযোজন হিসেবে রয়েছে এলআইসির নাম। এমন অবস্থায় ফুটে উঠছে দেশপ্রেমিক সরকারের দেশদ্রোহীতার কাজ।

রাজ্যের মানুষ দেশের মানুষ সম্মিলিত প্রতিবাদে এই সরকারের এই নীতির পরিবর্তনের লড়াইয়ে তে ।

তীব্র সমালোচনা করেন তিনি বলেন একদিকে যখন সিএ এবং এনআরসি বিরুদ্ধে লড়ছেন আপামর যুব সমস্যা অন্যদিকে বিভিন্ন পৌরসভা প্রশাসকদের কাছে তৃনমুলের নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। এন পি আর নিয়ে অনেক জায়গাতেই শুরু হয়েছে বিক্ষোভ , শাসকদলের সংঘর্ষে জড়িয়েছে কলকাতার কয়েকটি অঞ্চল। উত্তপ্ত পরিবেশের মধ্যেই মুখে বিরোধিতা করলেও রাস্তায় নেমেছে বিরোধীদের সুর দেখা যাচ্ছে না।

উপরন্তু বিধানসভা এবং এনআরসি বিরোধী প্রস্তাব বিরোধীদের নাকচ করে দেয় পরবর্তীকালে বাংলার শাসক দল সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে। একদিকে যখন দেশের কর্মসংস্থান কমছে আরেকদিকে মানুষে মানুষের বিভেদের রাজনীতি করছে এই দুইয়ের প্রভাবে আজ দেশের মানুষ সংকটে দেশের অর্থনৈতিক সংকটে তাই এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধেই বেকার যুবক-যুবতীদের রাস্তায় নেমে আন্দোলনের ডাক দিলেন ও একদিকে বিলগ্নীকরণ এর ফলে দেশের সম্পদকে বিক্রি করার প্রক্রিয়া নিয়েছে যার ফলে কর্মসংস্থান প্রতিনিয়ত হচ্ছে এবং যার ফলে বেকারের সংখ্যা সমান তালে বাড়ছে তিনি বলেন দেশের মানুষ জাত নয় ভাতের লড়াই অগ্রাধিকার। দেশজুড়ে যা আন্দোলন বিজেপি সেই ঐক্য কে ধ্বংস করতে যান এবং ধর্মের বিভাজন নিয়ে আসছে বামপন্থীরা।

লালগোলা অঞ্চলের ঐতিহাসিক সমাবেশ মানিয়ে দেয় স্বভাবতই নেতৃত্বে খুশি রাজনৈতিক মহলের মতে যবে থেকে এনআরসি এবং বিরোধী আইনে বিরুদ্ধে বামেদের লড়াই-সংগ্রাম ধীরে ধীরে বাংলার রাজনীতিতে।নির্বাচলে কতটা ফসল বামেরা তুলতে পারবে তার সময় বলবে কিন্তু যেভাবে লড়াই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যুব সংগঠন থেকে সহজেই পরিষ্কার। গ্রামবাংলায় বামেদের সংগঠন মজবুত প্রশাসনের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে যুব সংগঠন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *