হেটে দিল্লি থেকে বাড়ি ফেরার পথেই মৃত্যু এক অভিবাসী শ্রমিকের

Delhi

নিউজ ফ্রন্টলাইনার ওয়েব ডেস্ক, নিউদিল্লি,৩০ শে মার্চ:হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিক বাড়ি ফেলার চেষ্টা করছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই রাজ্য সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করছেন। করোনভাইরাসকে আটকাতে দেশ জুড়ে ২১ দিনের লকডাউন চলছে। বাড়ি ফেরার তারার অভিবাসী স্রোমিকরা রাস্তায় দিন রাত হেঁটে চলেছে তার মধ্যেই মর্মান্তিক খবর উঠে আসছে সেই দুঃসহ ভ্রমনের মধ্য দিয়ে।১ জন অভিবাসীর মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করা হলেও সংখ্যাটি আরও বাড়ার সম্ভাবনা বার বার সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমে যাওয়া আরেকটি বিপদের আগমন।

লক ডাউনে লারখানা ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে প্রচুর দৈনিক মজুরির শ্রমিক রাতারাতি বেকার হয়ে যায়, বাড়ির মালিকরা বাড়ি ছেড়ে দিতে বলায় বড় আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছাড়াই চলে যায়। পুরো পরিবার সহ হাজার হাজার শ্রমিক আন্তঃরাজ্য সড়ক ধরে তাদের বাড়িতে রওনা হয়েছে। তাদের পথে অনেক লোককে মারধর করা হয়েছে, লাঠিচার্জ করা হয়েছিল এবং লকডাউনের মাঝে সামাজিক দূরত্বের আইন ভঙ্গ করার জন্য পুলিশ তাদের দ্বারা সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠিয়েছে।তার মধ্যেই তারা হাঁটছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।

শনিবার টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, এক প্রবাসী শ্রমিক, ৩৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, যিনি দিল্লি থেকে মধ্য প্রদেশের নিজ শহরে পায়ে হেঁটেছিলেন, প্রায় ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার পর মারা গেছেন। টাইমস অফ ইন্ডিয়া শনিবার জানিয়েছে লোকটি দিল্লির একটি রেস্তোঁরাটির জন্য অর্ডার সরবরাহ করত যা কোভিড – ১৯-এর কারণে বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই দিল্লি থেকে রণভীর সিং মধ্য প্রদেশের মোরেনার উদ্যেশ্যে হাঁটা শুরু করেছিলেন। যাত্রা চলাকালীন তাঁর দুই সঙ্গী ছিল।

আগ্রা জেলায় আসতেই বুকে ব্যথা শুরু করে এবং মহাসড়কে বসে পড়েন বলে জানা গেছে। কাছের একটি দোকানের মালিক তাকে দেখে সহায়তা করার চেষ্টা করেছিলেন। স্থানীয় থানার হাউস অফিসার অরবিন্দ কুমার দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে বলেছেন, “দোকানের মালিক তাকে একটি কার্পেটে শুইয়ে দিয়ে চা এবং বিস্কুট সরবরাহ করেছিলেন।” গত রাতে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তার অতিরিক্ত ক্লান্তি র জন্যই তার মৃত্যু বলে জানিয়ে চিকিৎসক রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *