বাম বাদ দিয়ে বিরোধীদের মধ্যে পদত্যাগের হিড়িক

District News Kolkata

নিউজ ফ্রন্টলাইনার ওয়েব ডেস্ক ২৬ শে মে ২০১৯ঃ-
সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে মোদি লহড়ের পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কর্মীদের মধ্যে পদত্যাগের হিড়িক দেখা যাচ্ছে।রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদে আর থাকতে চান না বলে কংগ্রেসের সদ্য অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সভাতে উল্লেখ করতে না করতেই সমস্ত কংগ্রেসের নেতৃত্ববৃন্দ ঝাঁপিয়ে উঠে তা বাতিল করে দিয়েছেন।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদাম্বরম কেঁদেই ফেলেছেন সভাতে।যদিও রাহুল নিজের দাবীতে অনড়।

অপরদিকে রাজ্যেও মুখ্যমন্ত্রীর পদে আর থাকতে চান না বলে নাকি ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন মমতা ব্যানার্জি। কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির মতোই কয়েকজন নেতা প্রবল আপত্তি করেন।চিদাম্বরমের মতো কালীঘাটেও সুব্রত মুখার্জি কাঁদো কাঁদো গলায় বলে ওঠেন “তুমি এরকম করো না।”তারপরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন মমতা ব্যানার্জি।

রাজনৈতিক কেন্দ্রীয় চরিত্র বাদ দিয়েও তৃনমুল এবং কংগ্রেসে পদত্যাগের হিড়িক সর্বস্তরেই।বামেদের চরম পরাজয়ের পরেও নেতৃত্বের মধ্যে এখনো পদত্যাগের খবর শোনা যায় নি।তাই নিয়ে নেটিজানদের বিদ্রুপের মুখে বামেরা।সোশ্যাল সাইটে পরিচিত বামপন্থীদেরও কটাক্ষ করতে দেখা যাচ্ছে।

রাজনৈতিক কাটাছেঁড়া বাদ দিয়ে পদত্যাগের পরিস্থিতির প্রয়োজন সম্পর্কে এক বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞ সুনিধি পারেখ বলেন “অনেক সময় একটা পরাজয়ের দায় স্বীকার করতে এইধরনের পদত্যাগ প্রয়োজন হয়।কিন্তু তাৎক্ষণিক ভাবে এইধরনের সিদ্ধান্তের পিছনে যেমন ভাবে যুক্তির চেয়ে আবেগ বেশী প্রাধান্য পায় ঠিক তেমনি ভাবে নিজের ব্যার্থতাকে আড়াল করার জন্যও একটা ডেসপারেট উদ্দ্যেশও থাকতে পারে।” তিনি আরো বলেন “এইধরনের পরাজয়ের সাথে সাথেই পদত্যাগের অর্থ নিজের দায় এবং দায়িত্ব অস্বীকার করা।” মনস্তত্ত্ববিদ আরো বলেন ” পরাজয়ের দায়িত্ব এড়িয়ে না গিয়ে পুনর্গঠনের দায়িত্ব আরো বেশী করে নেওয়াই পজিটিভ Attitude এর বহিঃপ্রকাশ। “

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *